শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৩:৫৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
শিবপুর উপজেলার ভিটিচিনাদী গ্রামের দাদন ব্যবসায়ী রতন মিয়ার কাছে ভিটেমাটি হারাচ্ছে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোক। ১০৯ দিন পর কারামুক্ত মির্জা ফখরুল আজ পাকিস্তানের জাতীয় নির্বাচন চলছে আজ নরসিংদী সদর উপজেলা পরিষদের সর্ব প্রথম চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান হান্নান সরকারের প্রয়ান দিবস জামিন মেলেনি মির্জা ফখরুলের শিবপুরে ট্রাকের চাপায় শিশুর মৃত্যু মনোহরদীতে ছাড়পত্র না থাকায় দুই ইটভাটা গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন নরসিংদী জেলা শিবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা “বৈশ্বিক মহামারী করোনা যোদ্ধা” ডা. ফারহানা আহমেদ যোগদানের পর স্বাস্থ্য সেবা বৃদ্ধি সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় বাংলাদেশ ১০তম মঈন খানকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ

খন্দকার মতিউর রহমান

নিউজ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : রবিবার, ১৪ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ৬১ বার পড়া হয়েছে

খন্দকার মতিউর রহমান (জন্ম: অজানা) বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। স্বাধীনতা যুদ্ধে তার সাহসিকতার জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর বিক্রম খেতাব প্রদান করে।

জন্ম ও শিক্ষাজীবন
খন্দকার মতিউর রহমানের জন্ম নরসিংদী জেলার রায়পুরা উপজেলার আদিয়াবাদ গ্রামে। তার বাবার নাম খন্দকার সদরউদ্দীন আহমেদ এবং মায়ের নাম জামিলা খাতুন। তার দুই স্ত্রী। তারা হলেন সাহেরা খাতুন ও নাজমা খাতুন। তাদের চার ছেলে ও তিন মেয়ে।

কর্মজীবন
খন্দকার মতিউর রহমান গ্রামের স্কুল থেকে মেট্রিক পাশ করার পর ১৯৪৯ সালে পাকিস্তান পুলিশ বাহিনীতে কন্সটেবল পদে যোগদান করেন। সেখানে তিনি নায়েকের পদে উন্নীত হন। পরবর্তীতে ১৯৫৮ সালে পূর্ব পাকিস্তান রাইফেলস-এ বদলি হয়ে তিনি ৬ নং উইং এ যোগদান করেন এবং দক্ষতার সাথে জুনিয়র কমিশন্ড নায়েক সুবেদার পদে উন্নীত হন।[৩] ১৯৭১ সালে কর্মরত ছিলেন নওগাঁ ইপিআর উইংয়ে (বর্তমানে ব্যাটালিয়ন)। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে ঝাঁপিয়ে পড়েন যুদ্ধে। আড়িয়াবাজার যুদ্ধের পর তিনি যুদ্ধ করেন পাবনা জেলার কাশিনাথপুরে, পরে ৩ নম্বর সেক্টরের আশ্রমবাড়ী সাব-সেক্টরে।

মুক্তিযুদ্ধে ভূমিকা
১৯৭১ সালের ১ এপ্রিল বগুড়ায় চারদিকে রাষ্ট্র হয়ে গেল, শহরের উপকণ্ঠ থেকে রংপুর থেকে আসা পাকিস্তানি সেনারা পালিয়ে গেছে। সারা শহরে আনন্দের ঢেউ। এরপর প্রতিরোধযুদ্ধরত ইপিআর সদস্যরা সমবেত হলেন শহরের সার্কিট হাউসে। তাদের একটি অংশের নেতৃত্বে খন্দকার মতিউর রহমান। ইপিআর মোট ৩৯ জন। তারা সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নিলেন শহর থেকে কয়েক মাইল দূরে থাকা সেনাক্যাম্প আক্রমণের। রংপুর সেনানিবাস থেকে এসে একদল পাকিস্তানি সেনা ২৬ মার্চ সকালে বগুড়ায় আক্রমণ করে। স্থানীয় ছাত্র-জনতা তাদের প্রতিরোধ করে। এই প্রতিরোধযুদ্ধ চলাকালে পার্শ্ববর্তী নওগাঁও থেকে খন্দকার মতিউর রহমানসহ একদল ইপিআর সদস্য ২৮ মার্চ রাতে বগুড়ায় এসে স্থানীয় প্রতিরোধযোদ্ধাদের সঙ্গে যোগ দেন। এতে ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে রংপুর থেকে আসা পাকিস্তানি সেনারা ৩১ মার্চ রাতে বগুড়া থেকে পালিয়ে যায়। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর সেখানকার বাঙালি সেনাসদস্যদের নিরস্ত্র করে বন্দী করা হয়। দু-তিনজন এর প্রতিবাদ করায় তাদের পাকিস্তানিরা সঙ্গে সঙ্গে গুলি করে হত্যা করে। আড়িয়াবাজার ক্যাম্পে অবরুদ্ধ বাঙালি সৈনিকদের কথা জানতে পেয়ে ১ এপ্রিলই খন্দকার মতিউর রহমান সেখানে আক্রমণের সিদ্ধান্ত নেন। তাদের সঙ্গে আরও ছিলেন স্থানীয় প্রতিরোধযোদ্ধা দলের পুলিশের ৫০ জন ও ২০ জন অস্ত্রধারী স্বেচ্ছাসেবক। বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ তারা তিন দিক থেকে আড়িয়াবাজারের পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ক্যাম্পে আক্রমণ করেন। তখন দুই পক্ষে শুরু হয় গুলিবৃষ্টি। ঘণ্টা খানেক পর খবর পেয়ে পাকিস্তানি বিমানবাহিনীর বিমান আকাশ থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের ওপর আক্রমণ চালায়। মুক্তিযোদ্ধারা সবকিছু উপেক্ষা করে পাকিস্তানি সেনাদের ওপর আক্রমণ অব্যাহত রাখলেন। স্থানীয় গ্রামবাসীও মুক্তিযোদ্ধাদের নানাভাবে সাহায্য করেন। তিন ঘণ্টা যুদ্ধের পর পাকিস্তানিরা আত্মসমর্পণ করে। আড়িয়াবাজারের যুদ্ধে খন্দকার মতিউর রহমান যথেষ্ট বীরত্ব ও কৃতিত্বের পরিচয় দেন।[৪]

পুরস্কার ও সম্মাননা
বীর বিক্রম

নিউজটি শেয়ার করুন

এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯  
© All rights reserved © 2023 Narsingdinews24.com
ডিজাইন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট : উইন্সার বাংলাদেশ