1. admin@narsingdinews24.com : মাসুদ খান : মাসুদ খান
  2. kdalim@gmail.com : ডালিম খান : ডালিম খান
এই মাত্র পাওয়া :
নরসিংদী শিবপুরে জোরপূর্বক ভিটেবাড়ী দখল হত‍্যা ও গুম করার অভিযোগ নরসিংদীতে একজন “স্বপ্নসারথী” শীর্ষক বইয়ের মোড়ক উন্মোচন গজারিয়া ইউনিয়নে উন্নয়ন ধারা কে অব্যাহত রাখতে আবারো নৌকা বিজয়ী করতে হাজারো নেতাকর্মীর ঢল মাধবদীতে আ.লীগের দুপক্ষের সংঘর্ষ, মেয়রকে প্রধান আসামি করে মামলা শিবপুরে বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতা কল্যাণ পরিষদের আহ্বায়ক কমিটি গঠন শিবপুরে মটর সাইকেল চোরকে আটক করেছে মডেল থানার পুলিশ শিবপুর উপজেলা (জাপমাস) উদ্যোগে সাতপাড়া মসজিদে বৃক্ষ রোপন  নরসিংদী থেকে অপহৃত রেশমা আক্তারকে পিরোজপুর জেলা থেকে উদ্ধার করেছে পিবিআই মাধবদীতে প্রতিপক্ষের হামলায় ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মো: জাকারিয়া সহ গুলিবিদ্ধ ২ আহত ৮ নরসিংদীতে ৭ কেজি গাঁজাসহ নারী আটক

রক্তের বিনিময়ে বাংলা পেয়েছিল পূর্ব পাকিস্তানের রাষ্ট্র ভাষার স্বীকৃতি –মাহফুজুল হক টিপু

  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ৮০ দেখেছেন

ডালিম খান /নরসিংদী জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য আলহাজ্ব মাহফুজুল হক টিপু বলেন একুশে ফেব্রুয়ারি মানে বিশ্বে মাতৃভাষার জন্য নির্ভয়ে বুকের রক্ত ঢেলে দেওয়ার প্রথম ইতিহাস সৃষ্টির দিন। বাঙালির ভাষা আন্দোলনের গৌরবময় শোকের দিন।তাই তো বাঙালি গেয়ে ওঠে, ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি/ আমি কি ভুলিতে পারি। ’বাংলাকে রাষ্ট্র ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি আদায়ের আন্দোলন করতে গিয়ে ১৯৫২ সালের এদিন বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছিলেন দামাল ছেলেরা।তাদের রক্তের বিনিময়ে বাংলা পেয়েছিল পূর্ব পাকিস্তানের রাষ্ট্র ভাষার স্বীকৃতি।এরপর থেকে ভাষা শহীদ দিবস হিসেবে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালিত হয়ে আসছে দিনটি।পরবর্তীতে ২১শে ফেব্রুয়ারি পেয়েছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষার দিবসের স্বীকৃতি। ১৯৯৯ সালে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক সংস্থা (ইউনেস্কো) ২১শে ফেব্রুয়ারিকে এ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দেয়।পরের বছর অর্থাৎ ২০০০ সাল থেকে বিশ্বের ১৮৮টি দেশে একযোগে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়ে আসছে দিবসটি। ১৯৫২ সালের ২৭ জানুয়ারি রাজধানীর পল্টন ময়দানে তৎকালীন পূর্ববঙ্গের প্রধানমন্ত্রী নূরুল আমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জনসভায় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিমুদ্দিন ঘোষণা দেন- ‘উর্দু এবং কেবল উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা। ’মূলত খাজা নাজিমুদ্দিনের এই ভাষণই ভাষা আন্দোলনের দাবানল সৃষ্টি করে। ক্ষোভে ফেটে পড়েন বাঙলার ছাত্র-শিক্ষক-জনতাসহ আপামর মানুষ। মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর নেতৃত্বে গঠিত হয় সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ। দেশের বিভিন্ন এলাকায় শুরু হয় ধর্মঘটসহ বিক্ষোভ। একুশে ফেব্রুয়ারিতে পূর্ব পাকিস্তানজুড়ে ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত হয়। এরই প্রেক্ষিতে ২০ ফেব্রুয়ারি ১৪৪ ধারা জারি করে তৎকালীন পাকিস্তান সরকার। এক পর্যায়ে ছাত্রদের দৃঢ়তায় ২১ ফেব্রুয়ারি ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি ঢাকার পলাশীর আমতলায় (বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনের সড়ক) এলে নির্বিচারে বিক্ষুদ্ধ ছাত্রদের ওপর গুলি চালায় পুলিশ। এতে নিহত হন রফিক, সালাম, বরকত, জব্বার, সফিউরসহ নাম না জানা আরো অনেকে। এরপর সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ে ভাষা আন্দোলন। অবশেষে বাংলা পায় রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি।

শেয়ার করুন

একই বিভাগের আরও খবর
© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব Narsingdiews24.com কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By Rahatit.Com